হযরত আবু যর গিফারী রাদিয়াল্লাহু আনহু এর জীবনী
“এমন কোনো ব্যক্তিকে ধূলি বহন করেনি এবং কোনো সবুজ পাতা ছায়া প্ৰদান করেনি যে আবু যর থেকে অধিক সত্যবাদী।" [তাঁর শানে রাসূল-এর বাণী]
ওয়াদ্দান উপত্যকা, যেখানে গিফার গোত্র বাস করত। আর মক্কা থেকে বহির্বিশ্বে যাওয়ার একমাত্র পথ ছিল এই ওয়াদ্দান উপত্যকা । মক্কা থেকে সিরিয়ার দিকে আসা-যাওয়ার পথে বিভিন্ন ব্যবসায়ী কাফেলা যা কিছু তাদের দিয়ে যেত তারা তা দিয়ে জীবনযাপন করত। অনেক সময় তারা কাফেলার পথ বন্ধ করে দিত যদি কাফেলার লোকেরা তাদেরকে ঠিক মতো যাতায়াতের কর না দিত । জুনদুব বিন জুনাদা সেই গিফার নামক গোত্রের সন্তান। কিন্তু সাহসীকতা, জ্ঞান- গরিমা ও দূরদৃষ্টির দিক দিয়ে অন্যদের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ছিলেন। তাঁর গোত্রের লোকেরা আল্লাহর ইবাদত বাদ দিয়ে মূর্তিপূজা করত, তিনি তা খুব ঘৃণা করতেন। আরবদের ধর্মের বিভিন্ন কুসংস্কার দিকগুলো তাঁর কাছে খুব খারাপ লাগতো। তিনি এক নতুন দ্বীনের অপেক্ষায় ছিলেন যা হবে জ্ঞানসম্মত এবং বিবেকের দ্বারা স্বীকৃত। যা মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে আসবে, অত্যাচার ও অবিচার থেকে ন্যায়ের পথে নিয়ে আসবে । তাঁকে বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয়নি, ইতিমধ্যেই তিনি নবী করীম-এর কথা শুনতে পান। তিনি তার ভাইকে বললেন: তুমি মক্কাতে যাও এবং সেখানে গিয়ে যে লোক নিজেকে নবী দাবি করে এবং আসমান থেকে তাঁর নিকটে অহী আসে বলে তাঁর সম্পর্কে জেনে আস। তুমি তাঁর কথা শুনবে আর তা এসে আমাকে বলবে।
তাঁর ভাই আনীস মক্কায় গিয়ে রাসূল-এর সাথে দেখা করল এবং তাঁর কথা শুনলো। তারপর সে তার এলাকায় ফিরে এসে তার ভাইয়ের সাথে দেখা করল।
আবু যর গিফারী তাঁর ভাই আনীসকে খুব আগ্রহের সাথে নবী করীম-এর সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল।
আনীস বলল: আল্লাহর শপথ! আমি তাকে দেখেছি তিনি একজন উত্তম চরিত্রের মানুষ । তিনি এমন এমন কথা বলেন যা কবিতার মতো । তিনি বললেন: মানুষ তাঁর সম্পর্কে কি বলে? সে বলল: তারা বলে- তিনি হচ্ছেন একজন জাদুকর, গণক ও কবি ।আবু যর বললেন: আল্লাহর শপথ! আমি তাঁর কাছে যাব এবং তাঁর কাজ দেখব । সে বলল: অবশ্যই, তবে তুমি মক্কার অধিবাসীদের থেকে সাবধানে থেকো । হযরত আবু যর তার বাহন প্রস্তুত করলেন, তিনি তাঁর সাথে ছোট পানির একটি পাত্র নিলেন। এরপর তিনি মক্কার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করলেন। যাতেকরে তিনি রাসূল -এর সাথে দেখা করতে পারেন এবং রাসূল-এর সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে পারেন। আবু যার গিফারী কামাল অবশেষে মক্কা গিয়ে পৌঁছলেন। কিন্তু তিনি মনে মনে মক্কাবাসীদেরকে ভয় করতে লাগলেন। কেননা তিনি জানতে পেরেছেন কোরাইশরা মুসলমানদের ওপর ক্ষুব্ধ। মক্কায় কেউ যদি ইসলামের কথা প্রকাশ্যে ঘোষণা করত তাকে তারা কঠিন শাস্তি দিত । আর এ কারণে তিনি কাউকে মুহাম্মদ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে ভয় করেছেন। কেননা তিনি তো জানেন না, কে তাঁর অনুসারী আর কে তাঁর বিরোধী । যখন রাত ঘনিয়ে আসল তিনি মসজিদে শুয়ে ছিলেন, তাঁর পাশ দিয়ে হযরত আলী গমন করেন। আলী যদি তাঁকে দেখতে পেয়ে বুঝতে পারলেন তিনি অন্য দেশের লোক ।
আলী বললেন: এই যে ভাই, আপনি আমাদের ঘরে চলুন । তিনি তাঁর সাথে গেলেন এবং তাঁর ঘরে রাত কাটালেন। যখন সকাল হলো তিনি তাঁর পানি ও খাদ্য নিয়ে মসজিদে চলে গেলেন, কিন্তু তারা একে অপরকে কিছুই জিজ্ঞেস করেননি । তারপর তিনি দ্বিতীয় দিনও এভাবে কাটালেন, কিন্তু রাসূল-কে তিনি চিনতে পারেননি। সন্ধ্যা হয়ে গেলে তিনি মসজিদেই থাকার প্রস্তুতি নেন। আগের দিনের মতো হযরত আলী মনিকার তাঁর পাশ দিয়ে অতিক্রম করে যাচ্ছিলেন। তিনি তাঁকে দেখতে পেয়ে বললেন: লোকটির কি তার থাকার জায়গা চিনার সময় হয়নি। একথা শুনে তিনি হযরত আলীর সাথে তাঁর বাড়িতে গেলেন এবং তাঁর ঘরে রাত কাটালেন। দ্বিতীয় দিনও তাঁরা একে অপরকে কিছুই জিজ্ঞেস করলেন না । তৃতীয় দিন আলী বলেছেন তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন- আপনি কেন মক্কায় এসেছেন তা কি আমাকে বলবেন না?
তিনি বললেন: আপনি যদি আমাকে ওয়াদা দেন আমি যা খুঁজতে এসেছি তা দেখিয়ে দিবেন তাহলে বলব। হযরত আলী তাঁকে ওয়াদা দিলেন। তিনি বললেন: আমি মক্কা নগরীতে অনেক দূর থেকে এসেছি নতুন নবীর সাথে দেখা করার জন্যে এবং তাঁর কাছ থেকে কিছু কথা শুনার জন্যে । তাঁর এই কথা শুনে হযরত আলীর মন আনন্দে নেচে উঠে। হযরত আলী বললেন: নিশ্চয়ই তিনি সত্য নবী, নিশ্চয়ই ...... নিশ্চয়ই। সকালে আপনি আমার সাথে তাঁর কাছে যাবেন।
যখন আমি ক্ষতিকর কিছু দেখব আমি দাঁড়িয়ে যাব এবং পেশাব করার অভিনয় করব আর যখন আমি হাঁটতে থাকব আপনি আমার অনুসরণ করে হাঁটবেন। হযরত আবু যর গিফারীর যেন রাতটি কাটছিল না। তাঁর কাছে অন্যান্য রাত থেকে এই রাতটি অনেক লম্বা মনে হচ্ছিল। তিনি সারা রাত অপেক্ষা করছিলেন কখন সকাল হবে আর রাসূল-এর সাথে তার সাক্ষাৎ হবে এবং তাঁর নিকটে আসা অহী থেকে কিছু শুনবেন। রাতের অন্ধাকার দূর হয়ে যখন সকাল হলো হযরত আলী তাঁর মেহমানকে নিয়ে রাসূল-এর ঘরের দিকে রওয়ানা দিলেন। হযরত আবু যর তুমি তার অন্য কোনো দিকে দৃষ্টিপাত না করে তাঁকে অনুসরণ করে চলতে লাগলেন। অবশেষে তাঁরা নবী করীম এর নিকটে গিয়ে পৌঁছলেন । হযরত আবু যর শুনিয়া বললেন: আস্সালামু আলাইকুম । রাসূল বললেন: ওয়ালাইকুমুসালাম ওয়া রাহমুতুল্লাহ ওয়া বারাকাতুহ। হযরত আবু যর ছিলেন প্রথম ব্যক্তি যে রাসূল -কে সালামের দ্বারা অভিবাদন করেছিলেন। তারপর তা মুসলমান সমাজে ধীরে ধীরে বিস্তার লাভ করে। রাসূল তাঁকে ইসলামের প্রতি আহ্বান করলেন এবং তাঁকে কোরআন পাঠ করে শুনালেন। তিনি আর সামান্য দেরি না করে ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দিলেন। তিনি ছিলেন মুসলমানদের মধ্যে চতুর্থ নাম্বার কিংবা পঞ্চম নাম্বার ব্যক্তি । আমরা এর পরবর্তী ঘটনা আবু যর গিফারীর নিজ মুখে বর্ণিত হাদীস থেকে তুলে ধরলাম। তিনি বলেন: আমি এরপর রাসূল-এর সাথে মক্কায় অবস্থান করলাম এবং তিনি আমাকে ইসলামের বিভিন্ন মাসয়ালা-মাসায়েল শিক্ষা দিলেন। তাছাড়াও তিনি আমাকে কোরআনের কিছু আয়াতও শিখিয়ে দিলেন। আর বললেন: তুমি তোমার ইসলাম গ্রহণ সম্পর্কে মক্কার কাউকে বলবে না। কেননা আমি ভয় করছি তারা তোমাকে মেরে ফেলবে ।
আমি বললাম: আল্লাহর শপথ! আমি কোরাইশদের সামনে সত্যের পক্ষে চিৎকার দিয়ে না বলে মক্কা ছেড়ে যাব না । একথা শুনে রাসূল চুপ হয়ে গেলেন । এরপর আমি মসজিদের কাছে আসি, তখন কোরাইশরা মসজিদের পাশে বসে গল্প করছিল। আমি তাদেরকে ডেকে উচ্চ আওয়াজে বললাম: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ্ নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল । আমার কথা শেষ না হতেই তারা সবাই আমার দিকে তেড়ে আসল। তারা বলতে লাগল- তোমাদের দায়িত্ব এই ধর্মত্যাগীর বিচার করা। তারা আমাকে হত্যা করার জন্য মারতে শুরু করল । এমন সময় রাসূল -এর চাচা হযরত আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালিব আমাকে এসে ধরল। তিনি আমাকে রক্ষা করার জন্যে আমার ওপর ঝুঁকে পড়লেন আর তিনি তাদের দিকে ফিরে বললেন: তোমাদের ধ্বংস হতো। তোমরা গিফার গোত্রের লোককে হত্যা করতেছ? অথচ তোমাদের কাফেলা তাদের এলাকা দিয়ে গমন করে। সুতরাং তোমরা তা থেকে বিরত থাক । তারপর আমি সেখান থেকে রাসূল -এর নিকটে যাই । তিনি আমাকে দেখে বললেন: তোমার ইসলাম সম্পর্কে বলার ব্যাপারে আমি তোমাকে নিষেধ করিনি? আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমার মনের আকাঙ্ক্ষা ছিল তা আমি পুরো করেছি। তিনি বললেন: তোমার ওপর দায়িত্ব তুমি যা শুনেছ, যা দেখেছ তোমার জাতিকে তা বলা এবং তুমি তাদেরকে সত্যের পথে ডাকা। সম্ভবত আল্লাহ তাআলা তোমার দ্বারা তোমার জাতিকে উপকৃত করবেন এবং তোমাকে এর প্রতিদান দান করবেন। যখন তুমি সংবাদ পাবে আমি প্রকাশ্যে কাজ করতেছি তখন তুমি আমার কাছে আসবে।
হযরত আবু যর গিফারী বললেন: এরপর আমি আমার এলাকায় চলে আসি। আমার ভাই আমার সাথে সাক্ষাৎ করে বলল: আপনি কি করেছেন? আমি বললাম: আমি ইসলাম গ্রহণ করেছি এবং তাঁকে সত্যায়িত করেছি। কিছুক্ষণ না যেতে আল্লাহ তাআলা তার অন্তরকে প্রশস্ত করে দেন । সে বলল: আমার কি হলো আমি তোমার দ্বীন থেকে কেন বিমুখ হব? আমিও ইসলাম গ্রহণ করলাম এবং বিশ্বাস করলাম ।
এরপর আমার মা আমার নিকটে আসে, আমি তাঁকেও ইসলামের দাওয়াত দিই । তিনিও বললেন: আমার কি হলো তোমার দ্বীন থেকে কেন বিমুখ হব? আমিও ইসলাম গ্রহণ করলাম এবং বিশ্বাস করলাম । সেদিন থেকে আমাদের ঈমানী পরিবার ইসলামের দাওয়াত দিতে থাকে । আমরা কখনো এতে ক্লান্ত ও বিরক্ত হতাম না। অবশেষে গিফার গোত্রের অনেক লোক ইসলাম গ্রহণ করল। আর তখন থেকে আমরা সেখানে নামাজ কায়েম করা শুরু করলাম । আর একদল লোক বলল: রাসূল যখন মদিনায় আগমন করবে আমরা তখন ইসলাম গ্রহণ করব। অবশেষে রাসূল যখন মদিনায় হিজরত করেন তখন তারা ইসলাম গ্রহণ করল । রাসূল বললেন: আল্লাহ তাআলা গিফারীদেরকে ক্ষমা করেছেন, তারা ইসলাম গ্রহণ করেছে। আর তাই আল্লাহ তাআলা তাদেরকে নিরাপত্তা দিয়েছেন। হযরত আবু যর গিফারী বদর, উহুদ ও খন্দকের যুদ্ধ হওয়া পর্যন্ত তাঁর নিজ এলাকায় ছিলেন। খন্দকের যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর তিনি মদিনায় হিজরত করেন এবং নিজেকে রাসূল -এর খিদমতে নিয়োজিত করেন। তিনি রাসূল -এর খিদমত করার অনুমতি চান। রাসূল অনুমতি দিয়ে তাঁকে ধন্য করেন। রাসূল তাঁকে অন্যান্যদের ওপর প্রাধান্য দিতেন এবং যখনি তাঁর সাথে সাক্ষাৎ হতো তিনি মুচকি হাসি দিয়ে তাঁর সাথে মুসাফাহ্ করতেন।
রাসূল -এর ইন্তেকালের পর তিনি আর মদিনায় থাকতে পারেননি। কেননা রাসূল -কে ব্যতীত তাঁর কাছে মদিনা খালি খালি লাগত। তিনি এই শোকে মদিনা ত্যাগ করে সিরিয়ার এক গ্রাম্য অঞ্চলে চলে যান। তিনি সেখানে হযরত আবু বকর ও উমর -এর খেলাফত পর্যন্ত অবস্থান করেন। হযরত উসমান এর শাসনামলে তিনি দেখতে পান মানুষ দুনিয়াবী হয়ে গেছে এবং অতিরিক্ত অপচয় করছে। তিনি এ ব্যাপারে মানুষকে সতর্ক করতেন এবং সম্পদ সঞ্চিত করতে নিষেধ করতেন। এ কারণে হযরত উসমান তাঁকে মদিনায় ডেকে নেন। খলীফার কথামতো তিনি মদিনায় আগমন করেন। তিনি সেখানেও মানুষকে দুনিয়া বিরাগী হওয়ার প্রতি আহ্বান করা শুরু করেন, কিন্তু তা মানুষের নিকটে কঠিন মনে হয়। আর তাই মানুষ তাঁর ব্যাপারে খলীফার কাছে নালিশ করে। অবশেষে খলীফা তাঁকে রবাজা নামক স্থানে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন। রবাজা হচ্ছে মদিনার ছোট একটি গ্রাম । তিনি সেখানে চলে গেলেন এবং সমাজ থেকে অনেক দূরে গিয়ে অবস্থান করলেন। তিনি দুনিয়া বিরাগী হয়ে থাকতে লাগলেন এবং রাসূল -এর নির্দেশমতো জীবন পরিচালনা করতে লাগলেন। একদিন এক লোক তাঁর ঘরে প্রবেশ করে সবকিছু দেখল, কিন্তু সে ঘরে কোনো আসবাবপত্র না পেয়ে জিজ্ঞেস করল তোমাদের আসবাবপত্র কোথায়? তিনি বললেন: আমাদের সেখানে (আখেরাতে) একটি বাড়ি আছে, আমরা সেখানে আমাদের ভালো ভালো আসবাবপত্র পাঠিয়ে দিই ।
লোকটি তাঁর কথা বুঝতে পেরে বলল: কিন্তু আপনি যতদিন এই ঘরে থাকবেন ততদিন তো এখানে কিছু আসবাবপত্র লাগবে । তিনি উত্তর দিলেন: কিন্তু বাড়ির মালিক আমাদেরকে এখানে রাখবেন না । সিরিয়ার গভর্নর তাঁর জন্য তিন শত দিরহাম পাঠিয়ে তাঁকে বললেন: আপনি এর দ্বারা আপনার প্রয়োজন পূরণ করুন। তিনি তা ফিরিয়ে দিয়ে বললেন: সিরিয়ার গভর্নর কি আমার থেকে আর কোনো নিম্নমানের লোক পায়নি ? অবশেষে তিনি বত্রিশ হিজরীতে এই ধূলির ধরা ছেড়ে চির বিদায় নেন ।
আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দান করুক এবং ফিরদাউসে তাঁর চির ঠিকানা করে দিন।
তথ্য সূত্র
১. আল ইসাবা - ৪র্থ খণ্ড, ৬২ পৃ.
২. আল ইসতিআ’ব - ৪র্থ খণ্ড, ৬১ পৃ. ।
৩. তাহযীবুত্ তাহযীব - ২য় খণ্ড, ৪২০ পৃ.
৪. তাীদু আসমায়িস্ সাহাবা - ২য় খণ্ড, ১৭৫ পৃ. ৷
৫. তাযকিরাতুল হুফ্ফাজ - ১ম খণ্ড, ১৫-১৬ পৃ.
৬. হুলিয়াতুল আওলিয়া - ১ম খণ্ড, ১৫৬-১৭০ পৃ.
৭. সিফাতুস্ সয়াহ্ - ১ম খণ্ড, ২৩৮-২৪৫ পৃ.।
৮. ত্বাবাকাতুশ্ শা’রানী - ৩২ পৃ.
৯. আল মাআ'রিফ - ১০০-১১১ পৃ.।
১০. শাযারুয্ যাহাব - ১ম খণ্ড, ৩৯ পৃ.।
১১. আল ইবরু - ১ম খণ্ড, ৩৩ পৃ. ।
১২. যুআমাউল ইসলাম - ১৬৭-১৭৩ পৃ. ।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন