হযরত নোমান বিন মুকাররিম আল মুযান্নি (রাঃ) এর জীবনী
“নিশ্চয়ই ঈমানের ঘর আলাদা আর নিফাকীর ঘর আলাদা । আর মুকররিনদের সন্তানদের ঘর হচ্ছে ঈমানের ঘর ।” [হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ]
মুযায়না নামক গোত্র মদিনার নিকটে মক্কা ও মদিনার রাস্তার পাশে বাস করত। রাসূল মদিনা হিজরত করার কথা তাদের নিকটে গিয়ে পৌছে। তারা মক্কা-মদিনার রাস্তার পাশে বসবাস করার কারণে সেখান দিয়ে যারা আগমন করত তাদের থেকে রাসূল এর ব্যাপারে বিভিন্ন কথা শুনতে পেত। কিন্তু তারা রাসূল এর বিরুদ্ধে কোনো কথা শুনেনি; বরং সবকিছু রাসূল এর পক্ষে শুনেছে। আর এই কারণে তাদের অন্তরে ঈমান বীজ থেকে বড় গাছে পরিণত হতে লাগল। এক সকালে মুযায়ানা গোত্রের প্রধান নোমান বিন মুকররিন আল-মুযান্নি গোত্রের সম্মানিত ও বড় বড় নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন। সেখানে সর্বসাধারণও উপস্থিত ছিল৷ তিনি তাদেরকে বললেন: হে আমার জাতি! আল্লাহর শপথ! আমরা মুহাম্মদ ااهব্যাপারে ভালো ব্যতীত খারাপ কিছুই জানি না। আর আমরা তার দাওয়াতের ব্যাপারে দয়া ও ন্যায়নীতি ব্যতীত অন্য কিছুই শুনিনি। তাহলে আমাদের কি হলো আমরা তাঁর ব্যাপারে দেরি করছি অথচ অন্যান্য সব মানুষ তার ব্যাপারে খুব তাড়াহুড়া করছে। তারপর তিনি বললেন: আমি সকালে তার সাথে দেখা করার ইচ্ছা করেছি। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যার যার তার সাথে দেখা করার ইচ্ছা আছে সে যেন যাওয়ার জন্যে তৈরি হয়। তাঁর এই ভাষণ সবার মনে তীরের মতো গেঁথে যায়। সকাল হওয়ার পর দেখা গেল তার দশ ভাই ও চারশত অশ্বারোহী ইয়াসরিবে রাসূল এর সাথে দেখা করার জন্যে ও ঈমান আনার জন্যে যেতে প্রস্তুত হয়ে গেল৷ তা সত্ত্বেও হযরত নোমান এতো বিশাল বাহিনী নিয়ে রাসুল (স.) ও তার সাহাবীদের জন্য কিছু না নিয়ে খালি হাতে যেতে ইতস্তবোধ করলেন, কিন্তু সে বছর ছিল খরার বছর তাই নেওয়ার মতো এমন কিছু তার হাতে ছিল না।
হযরত নোমান তার ভাইদের ঘর থেকে তালাশ করে কিছু বকরি রাসুল (স.) ও তার সাহাবীদের জন্য হাদিয়া হিসেবে নিয়ে যান। তিনি মদিনা পৌছে রাসুল (স.) এর কাছে ইসলাম গ্রহণ করেন। হযরত নোমান -এর ইসলাম গ্রহণের কারণে মদিনার আনাচে কানাচে আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে। কেননা তাদের পূর্বে আরবের কোনো পরিবারে একত্রে এগারো জন ইসলাম গ্রহণ করেনি। তাছাড়াও তাঁদের সাথে তাদের গোত্রের চারশত লোক ইসলাম গ্রহণ করেছে। হযরত নোমান এর ইসলাম গ্রহণে রাসূল অত্যধিক খুশি হন। আর মহান আল্লাহ তাআলা হযরত নোমান -এর দান করা বকরিগুলো কবুল করে নেন এবং তার শানে আয়াত নাযিল করেন। অনুবাদ- “আর বেদুঈন আরবদের মধ্যে কিছু লোক আছে যারা আল্লাহ ও পরকালের ওপর ঈমান রাখে, এরা আল্লাহর পথে যা কিছু ব্যায় করে তা দ্বারা আল্লাহর নৈকট্যলাভ ও রাসূলকে পাওয়ার একটা অবলম্বন মনে করে, সত্যি সত্যিই তা হচ্ছে তাদের জন্যে আল্লাহর নৈকট্যলাভের একটা উপায়, অচিরেই আল্লাহ তাআলা তাদেরকে স্বীয় রহমতে প্রবেশ করাবেন, অবশ্যই আল্লাহ তাআলা ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু ৷” [সূরা তাওবা- ৯৯] হযরত নোমান রাসূল এর হাতে ইসলাম গ্রহণ করার পর থেকে তিনি ইসলামের প্রতিটি যুদ্ধে রাসূলের- সাথে অংশগ্রহণ করেন। হযরত আবু বকরের খেলাফতের সময়ে অন্যান্য গোত্র যখন ইসলাম ছেড়ে মুরতাদ হয়ে যাচ্ছিল তিনি ও তার গোত্র তখনো ইসলামের ওপর অটল ছিলেন। শুধু তাই নয় রিদ্দার যুদ্ধে তার অবদান ছিল অনেক বেশি। হযরত উমর এর খেলাফত কালে হযরত নোমান বিন মুকররিন এর অবস্থা অন্য রকম ছিল যা ইসলামের ইতিহাসে প্রশংসার সাথে বর্ণিত আছে।
হযরত সা'দ বিন আবী ওয়াক্কাস মুসলমানদের এক দল লোককে পারস্যের স্মবাটের নিকটে পাঠান। হযরত নোমান-কে তাদের আমীর বানান। তাঁরা মাদায়েনে পৌছার পর তাঁদের নিকটে প্রবেশ করতে অনুমতি চান। তাদেরকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। তারপর দোভাষীকে ডাকা হয়। পারস্যের সম্রাট তাকে বলে- তাদেরকে জিজ্ঞেস কর তারা কেন আমাদের দেশে এসেছে এবং তারা কেন আমাদের সাথে যুদ্ধ করতে চায়? সম্ভবত তোমরা আমাদের দেখে লোভে পড়েছ এবং আমাদের ওপর সাহস দেখাচ্ছ কারণ আমরা তোমাদের ব্যাপারে উদাস ছিলাম এবং তোমাদের সাথে শক্তি দেখাতে চাইনি । হযরত নোমান শু তার সাথিদের দিকে ফিরে বলল: তোমরা চাইলে আমি 3 কথার উত্তর দিব আর যদি তোমাদের কেউ কথা বলতে চায় আমি তাকে অগ্রাধিকার দিব। তারা বলেন: বরং তুমিই উত্তর দাও। তারপর তারা পারস্য স্ম্বাটের দিকে ফিরে বলল: এই লোকটি আমাদের পক্ষ থেকে কথা বলবে সুতরাং তুমি তা মনোযোগ দিয়ে শুন। হযরত নোমান TR আল্লাহর প্রশংসা ও গুণকীর্তন করলেন। তারপর নবী করীম এর ওপর দুরূদ পাঠ করলেন। এরপর তিনি বললেন: আল্লাহ তাআলা আমাদের নিকটে একজন নবী প্রেরণ করে আমাদেরকে দয়া করেছেন। তিনি আমাদেরকে কল্যাণের পথ দেখিয়েছেন এবং আমাদেরকে তাঁ অনুসরণ করার আদেশ দিয়েছেন। আর তিনি আমাদেরকে খারাপ কাজ করা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন। তিনি আমাদেরকে ওয়াদা দিয়েছেন আমরা যদি তার আদেশ মতো চলি তাহলে তিনি আমাদেরকে দুনিয়া ও আখেরাতে কল্যাণ দান করবেন। কিছুদিন আগেই আল্লাহ তাআলা নবীর সেই ওয়াদা পূরণ করেছেন এবং. আমাদের প্রশস্ততা দান করেছেন। আর আমাদেরকে বিশ্ববাসীর মাঝে সম্মানিত করেছেন এবং আমাদের শত্রুতা সম্পর্ককে ভাইয়ে পরিণত করেছেন। তিনি আমাদেরকে আদেশ করেছেন আমরা যেন এই কল্যাণের পথে মানুষকে ডাকি এবং আমাদের প্রতিবেশীদেরকে সবার আগে এর দাওয়াত দিই ) আমরা আপনাকে আমাদের এই ধর্মে আসার জন্য আহ্বান করছি। এটি এমন একটি ধর্ম যা ভালো কাজে উৎসাহিত করে এবং খারাপ কাজকে করে। এ ধর্ম মুমিন বান্দাকে কুফরী থেকে ঈমানের আলোর দিকে নিয়ে আসে।
সুতরাং তোমরা যদি আমাদের ডাকে সাড়া দাও তাহলে আমরা তোমাদেরকে আল্লাহর কিতাব দিয়ে বিচার করার আদেশ দিব এবং তোমাদরে হাতে তোমাদের রাজত্ব ছেড়ে দিয়ে চলে যাব। আর যদি তোমরা ঈমান না আনো তাহলে আমরা তোমাদের থেকে জিযিয়া নিব, কিন্তু তোমরা যদি জিযিয়া দিতে অস্বীকার কর তাহলে আমরা তোমাদের সাথে যুদ্ধ করব। হযরত নোমান বিন মুকররিন সুঁদুই-এর বক্তব্য শুনে পারস্যের TGO রাগে ফুলতে থাকে। সে ভীষণ রাগান্বিত হয়ে বলতে লাগল: আমি জানি না তোমাদের থেকে দুর্বল ও কমসংখ্যক লোক ও অধিক খারাপ অবস্থাবিশিষ্ট পৃথিবীতে আর কোনো জাতি আছে কি-না; বরং আমরা তোমাদের ব্যাপারে এক অঞ্চলের গভর্নরকে দায়িত্ব দিয়ে রেখেছি সে তোমাদেরকে বশ করবে। তারপর তার রাগ কিছুটা হালকা হলে তিনি বলেন: তোমাদের যদি কোনো প্রয়োজন থাকে যার জন্যে তোমরা এসেছ তাহলে আমরা তোমাদের জন্য খাদ্যের ব্যবস্থা করে দিব যা তোমাদের এলাকাকে ভরপুর করে দিবে এবং তোমাদের গোত্রের লোকদেরকে পোশাক পরিচ্ছদ দান করব আর তোমাদের জন্য একজন রাজা নিয়োগ দিব যে তোমাদের প্রতি দয়া করবে! তারপর তাদের নিকটে একজন কঠিন মানুষকে প্রেরণ করা হয়। সে এসে বলে- যদি দূত হত্যা করা নিষেধ না হতো তাহলে আমি তোমাদেরকে হত্যা করতাম। তোমরা চলে যাও তোমাদের জন্য এখানে কিছুই নেই। আর তোমাদের সেনাপ্রধানকে গিয়ে বলবে আমি তোমাদের বিরুদ্ধে রুস্তমকে প্রেরণ করব যে তোমাদের সাথে কাদেসিয়ায় যুদ্ধ করবে। তারপর সে মাটির বোঝা নিয়ে আসার আদেশ করল এবং সে তার লোকদেরকে বলল: তুমি এটি তাদের সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তির মাথায় দিয়ে দাও এবং তাদেরকে এই অবস্থায় মানুষের সামনে দিয়ে রাজধানীর বাইরে নিয়ে যাও। তারা আগত ব্যক্তিদেরকে জিজ্ঞেস করল- তোমাদের সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তি কে? হযরত আসেম বিন উমর নিজেই বললেন: আমি তারপর তারা মাদায়েন শহরের শেষ সীমানা পর্যন্ত তার মাথায় মাটির বোঝা দিয়ে নিয়ে গেল। এরপর হযরত আসেম বিন ننس (+!তা বহন করে সা'দ বিন আবী ওয়াক্কাস-এর নিকটে নিয়ে যান এবং তাকে সুসংবাদ দেন অচিরেই আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে পারস্য বিজয় দান করবেন এবং তাদের মাটির রাজত্ব আমাদের হাতে তুলে দিবেন।
এরপরে কাদেসিয়ার যুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং হাজার হাজার নিহত সৈন্য দ্বারা এর খন্দক (গর্ত) ভর্তি হয়ে যায়। কিন্তু তারা মুসলমানদের সৈন্য না তারা সবাই পারস্য সম্রাটের সৈন্য | পারস্য বাহিনী কাদেসিয়ার যুদ্ধে পরাজয় বরণ করে বসে থাকেনি। তারা ধীরে ধীরে একত্রিত হতে লাগল। অবশেষে তারা এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার সেৈন্যবাহিনীর একটি দল গঠন করে। এ বিশাল বাহিনীর খবর পেয়ে হযরত উমর নিজেই এই বাহিনীর মোকাবিলা করার ইচ্ছা করেন। কিন্তু মুসলমানগণ তাকে এই কাজে বাধা দেয়। তারা এই যুদ্ধের জন্য অন্য কাউকে আমীর বানিয়ে প্রেরণ করতে পরামর্শ দেয়। হযরত উমর বললেন: তোমরা আমাকে পরামর্শ দাও এই যুদ্ধে আমি কাকে আমীর বানাব। তারা বলল: আপনি আপনার সৈন্যদের ব্যাপারে ভালো জানেন। তিনি বললেন: আল্লাহর শপথ! আমি মুসলমান মুজাহিদদের আমীর বানাব ওই ব্যক্তিকে যে যুদ্ধে দুই দল একত্রিত হলে সে দুই দাত থেকেও অশ্রবর্তী থাকে। সে হচ্ছে নোমান বিন মুকররিন , তারপর তিনি নোমান সু -এর নিকটে চিঠি লিখেন। অতঃপর .............. আমার নিকটে খবর এসেছে অনারবদের বাহিনী তোমাদের জন্যে নাহ্ওয়ান্দ শহরে একত্রিত হয়েছে। যখন আমার চিঠি তোমার নিকটে পৌঁছবে সাথে সাথে তোমার সাথে যারা আছে তাদেরকে নিয়ে তুমি আল্লাহর আদেশে, আল্লাহর সাহায্যে এবং আল্লাহর নুসরতে বের হয়ে পড়বে। আর যুদ্ধ কঠিন হওয়ার সুযোগ দিবে না কেননা এতে মুসলমানদের জন্য তা কষ্টকর হবে। কেননা আমার নিকটে এক লক্ষ দিনার থেকেও একজন মুসলমান অধিক প্রিয়। তোমার ওপর শান্তি বর্ষিত হউক | হযরত নোমান তার বাহিনী নিয়ে কাফেরদের সন্ধানে বের হয়ে পড়লেন। তিনি কয়েকজন অশ্বারোহীকে অশ্রে প্রেরণ করেন যাতেকরে তারা কাফেরদের অবস্থান চিনে নিতে পারে। তারা নাহ্ওয়ান্দের নিকটবর্তী হওয়ার পর তাদের ঘোড়াগুলো থেমে গেল। তারা ঘোড়াগুলোকে সামনে নিয়ে যেতে চাইল, কিন্তু তারা সামনে গেল না। ঘোড়া থামার কারণ দেখার জন্য তারা ঘোড়ার পিঠ থেকে নেমে গেল। তারা দেখল সেখানে লোহার খণ্ড পুঁতে রাখা হয়েছে। তারা জমিনের দিকে ভালোভাবে লক্ষ্য করে দেখল শত্রু বাহিনী এখান থেকে নাহ্ওয়ান্দ পর্যন্ত লোহার টুকরা পুঁতে রেখেছে যাতেকরে অশ্বারোহী ও পদাতিক বাহিনীর লোকেরা আসতে বাধার সম্মুখীন হয়।
অগ্রে প্রেরিত অশ্বারোহীরা নোমান এর নিকটে এসে তারা যা দেখেছে তা খুলে বলল। হযরত নোমান শষ তাদেরকে রাতে আগুন জ্বালানোর আদেশ দিয়েছেন যাতেকরে শত্রু বাহিনী মুসলমানদের সংখ্যা দেখতে পায় এবং মুসলমানদের সংখ্যা কম দেখে মুসলমানদের সাথে যুদ্ধ করতে আগ্রহী হয় এবং তাদের পুঁতে রাখা লোহার খণ্ডগুলো তুলে নেয়। হযরত নোমান বুদ্ধি কাজে এসেছে। তারা মুসলমানদেরকে দেখতে পেয়ে যুদ্ধ করতে আগ্রহী হয় এবং তাদের কর্মচারীদেরকে লোহার খণ্ডগুলো তুলে নিতে পাঠায়। অবশেষে তারা সবগুলো লোহার খণ্ড তুলে নিল। হযরত নোমান মুজাহিদদেরকে নিয়ে নাহ্ওয়ান্দের দিকে এগিয়ে যান। তিনি তাদেরকে হঠাৎ আক্রমণ করার ইচ্ছা করেন। তিনি তার সৈন্যবাহিনীকে বললেন: আমি তিনবার তাকবীর দিব। যখন প্রথমবার তাকবীর দিব তখন তোমাদের মধ্যে যারা প্রস্তুত হয়নি তারা প্রস্তুত হবে আর যখন আমি দ্বিতীয় তাকবীর দিব তখন তোমারা তোমাদের অস্ত্র গ্রহণ করবে আর আমি যখন তৃতীয় তাকবীর দিব তখন আমি আল্লাহর শত্রুদের ওপর হামলা করব আমার সাথে তোমরাও তাদের ওপর হামলা করবে। হযরত নোমান সুঁষুইু তিন তাকবীর দিয়ে শত্রুদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। মুসলমানরা কাফেরদের ওপর তীব্র আক্রমণ করে যার নজির খুব কম। তীঁৰ আক্রমণের কারণে কাফেরদের বাহিনী শত ভাগে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং হাজার হাজার কাফের নিহত হয়। রক্তের স্রোত বয়ে যায়। ওই দিকে হযরত নোমান শুঁচু যুদ্ধ করতে করতে আঘাত্রাপ্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং তার দুই চোখ বন্ধ হয়ে যায়, তিনি পরম করুণাময় মহান আল্লাহর নিকটে চলে যান। তিনি শহীদ হয়ে গেলে তার ভাই ইসলামের ঝাণ্ডা হাতে নেন। যুদ্ধ শেষ হলে মুসলমানগণ বিশাল বিজয় অর্জন করে। যুদ্ধের পর তারা বলল নোমান কোথায়। তখন তাঁর ভাই তার শহীদি লাশ তুলে ধরে বলল: এই হচ্ছে তোমাদের আমীর আল্লাহ তাআলা তাকে বিজয় দান করে তার চক্ষু শীতল করেছেন এবং তাকে শহীদি মরণ দান করেছেন।
তথ্য সূত্র:
১। আল ইসাবা
- ৩য় খণ্ড, ৫৬৩ পৃ. ৷
২। ইবনুল আছীর - ২য় খণ্ড, ২১১
পৃ. ও ৩য়. খণ্ড,
৭ পৃ.
৪। তায্হীবুত্ তাহ্যীব
- ১০ম খণ্ড, ৪৫৬ পৃ.
৫। ফুতুহুল বুলদান
- ৩১১ পৃ. ৷
৬। শারহু আলফিয়াতিল - ৩য় খণ্ড, ৭৬
পৃ.
৭। আ'লাম - ৯ম
খণ্ড, ৯ পৃ.
৮। আল কাদিয়া - ৬৬-৭৩ পৃ।