মার্চ 2023

অডিও অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আবদুল মজিদ অধ্যাপক গোলাম আযম অধ্যাপক নূরুল ইসলাম অধ্যাপক মুজিবুর রহমান অধ্যাপক মোঃ নুরুল ইসলাম আকারুজ্জামান বিন আব্দুস সালাম আবদুল্লাহ নাজীব আবদুস শহীদ নাসিম আবু বকর বিন হাবীবুর রহমান আবুল কালাম আজাদ আব্দুর রহমান বিন আব্দুল আজীজ আস সুদাইস আব্দুর রহমান মুবারকপুরী আব্দুল আযীয আব্দুল আযীয ইবন আহমাদ আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায আব্দুল হামিদ ফাইযী আব্দুল হামীদ আল ফাইযী আব্দুল হামীদ আল মাদানী আব্দুল্লাহ আল কাফী আব্দুল্লাহ আল মামুন আল আযহারী আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান আসসাদ আব্দুল্লাহ ইবনে জাহান আব্দুল্লাহ ইবনে সাদ ইবনে ইবরাহীম আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ সালাফী আমিনুল ইসলাম আল্লামা নাসিরুদ্দিন আলবানী আল্লামা হাফিয ইবনুল কায়্যিম আশরাফ আলী থানভী আহমাদ মুসা জিবরীল ইবরাহিম ইবন মুহাম্মদ আল হাকীল এ এন এম সিরাজুল ইসলাম কামারুজ্জামান বিন আব্দুল বারী কুরবানী খন্দকার আবুল খায়ের খালেদ আবু সালেহ খুররম জাহ মুরাদ জহুর বিন ওসমান জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের ড. আবু বকর মুহাম্মদ যাকারিয়া ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর ড. আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ আযযাইদ ড. খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর ড. জাকির নায়েক ড. মোঃ আব্দুল কাদের ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী ড. রুকাইয়্যাহ বিনতে মুহাম্মদ আল মাহারিব ড. সায়ীদ ইবন আলি ইবন ওহাফ আল কাহতানী ডক্টর মুহাম্মদ মুশাররফ হুসাইন ডাঃ দেওয়ান একেএম আবদুর রহীম নামায নারী নূর মুহাম্মদ বদীউর রহমান পরকালের আমল প্রফেসর ডাঃ মোঃ মতিয়ার রহমান প্রফেসর মুহাম্মদ আব্দুল জলিল মিয়া প্রবন্ধ প্রশ্ন-উত্তর ফজলুর রহমান ফয়সাল বিন আলি আল বাদানী বিষয়ভিত্তিক মহানবী মাও হুসাইন বিন সোহরাব মাওলানা আবদুল আলী মাওলানা আবদুস সাত্তার মাওলানা মুহাম্মদ মূসা মাওলানা মোঃ আবদুর রউফ মাওলানা মোঃ ফযলুর রহমান আশরাফি মাসুদা সুলতানা রুমী মুফতি কাজী মুহাম্মদ ইবরাহীম মুফতি কাজী মুহাম্মদ ইব্রাহিম মুফতী মুহাম্মদ আবদুল মান্নান মুযাফফার বিন মুহসিন মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল গালিব মুহাম্মদ ইকবাল কিলানী মুহাম্মদ ইকবাল বিন ফাখরুল মুহাম্মদ ইবন ইবরাহীম আততুওয়াইযীরি মুহাম্মদ গোলাম মাওলা মুহাম্মদ চৌধুরী মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মুহাম্মদ তাকী উসমানী মুহাম্মদ বিন ইসমাঈল বুখারী মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমিন মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমীন মুহাম্মদ শহীদুল মুলক মুহাম্মদ সলেহ আল মুনাজ্জেদ মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ মুহাম্মাদ ইকবাল কীলানী মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল উসাইমীন মোঃ সাইফুল ইসলাম মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দ মোস্তাফিজুর রহমানের ইবনে আব্দুল আযীয আল মাদানী মোহাম্মদ মোশারফ হোসাইন মোহাম্মাদ নাসিরুদ্দিন আলবানী যায়নুদ্দীন আব্দুর রহমান ইবনে রজব আল হাম্বলী রফিক আহমাদ শাইখ নাসেরুদ্দিন আল আলবানী শাইখ মুহাম্মদ নাসিরুদ্দিন আলবানী শাইখ সালেহ বিন ফাওযান শাইখ হোসাইন আহমাদ শাইখুল ইসলাম আহমাদ ইবন তাইমিয়্যাহ শামসুল আলম সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী সাঈদ ইবন আলি ইবন ওহাফ আল কাহতানী সানাউল্লাহ নজির সানাউল্লাহ নজির আহমদ সাহাবীদের জীবনী সিয়াম হাফিয মুহাম্মাদ আইয়ুব বিন ইদু মিয়া

রাসূলুল্লাহর সাঃ নামায ও জরুরি দোয়া – প্রফেসর মুহাম্মদ আব্দুল জলিল মিয়া


 রাসূলুল্লাহ সাঃ এর নামায ১ম ও ২য় খণ্ড – মোহাম্মাদ নাসিরুদ্দিন আলবানী ও এ এন এম সিরাজুল ইসলাম


 রাসূল সাঃ এর প্র্যাকটিক্যাল নামায – মুহাম্মদ ইবন ইবরাহীম আততুওয়াইযীরি


রাসূলুল্লাহর প্যাকটিকাল নামায – মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহীম আততুওয়াইজিরী


 কোন অমুসলিম বা মুসলিম চাকুরিজীবী বা ব্যবসায়ী যাদের উপার্জনে হালাল-হারাম উভয়ই আছে তাদের নিকট থেকে কর্যে হাসানাহ নেওয়া বা তাদের সাথে শরীকানা ব্যবসা করা জায়েয হবে কি?


উত্তর : অমুসলিম বা মিশ্রিত উপার্জনকারী থেকে করযে হাসানাহ নেওয়া যাবে। কারণ হারাম উপার্জনের জন্য উপার্জন কারী ব্যক্তি দায়ী হবে, গ্রহণকারী নয়। রাসূল (ছাঃ) তার মৃত্যুর কিছুদিন পূর্বে এক ইহুদীর কাছে বর্ম বন্ধক রেখে ত্রিশ কেজি যবের আটা করয বা ধার নিয়েছিলেন। অথচ তারা সূদের সাথে কঠিনভাবে জড়িত ছিল (বুখারী হা/২৯১৬; মিশকাত হা/২৮৮৫; ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২৯/২২৭-২৮; উছায়মীন, আল-ক্বওলুল মুফীদ ‘আলা কিতাবুত তাওহীদ ৩/১১২)। তবে যদি বিশেষ কোন সম্পদ বা বস্ত্ত হারাম হয় তাহ’লে জেনেশুনে সেগুলো গ্রহণ করা যাবে না। যেমন কোন চুরিকৃত বস্ত্ত।

ঘুমের ভিতরে স্বপ্নদোষ ছাড়াই ধাতু ক্ষয় হয়, বীর্যের মতো আঠালো তরল পদার্থ বের হয়। আমি নিয়মিত ছালাত আদায় করি। কিন্তু এই শীতের ভিতরে রাতে গোসল করে ছালাত পড়াটা অনেক কষ্টের, শরীরের অবস্থাও খারাপ। দেখা যায় সপ্তাহে ৩-৪ দিন এই সমস্যা হচ্ছে। আমি গোসল না করে শুধু নাপাক জায়গা পরিষ্কার করে ফজর ছালাত আদায় করতে পারব কি?


উত্তর : সাধারণভাবে স্বপ্নের কথা স্মরণ থাক বা না থাক, ঘুম থেকে উঠে কাপড় ভেজা দেখলে গোসল ফরয হবে। আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ)-কে এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হ’ল, যে স্বপ্নদোষের কথা স্মরণ করতে পারছে না, অথচ তার কাপড় (বীর্যপাতের কারণে) ভিজা মনে হয়। জবাবে তিনি বলেন, তাকে গোসল করতে হবে। অতঃপর তাঁকে এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হ’ল, যার স্বপ্নদোষ হয়েছে বলে মনে হয়, কিন্তু তার কাপড়ে কোন চিহ্ন দেখতে পায় না। জবাবে তিনি বলেন, ঐ ব্যক্তির গোসল করার প্রয়োজন নেই (আবূদাঊদ হা/২৩৬; মিশকাত হা/৪৪১, সনদ ছহীহ)। উম্মু সালামা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ছাঃ)-এর নিকট উম্মু সুলায়ম (রাঃ) এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! আল্লাহ হক কথা প্রকাশ করতে লজ্জাবোধ করেন না। মহিলাদের স্বপ্নদোষ হ’লে কি গোসল করতে হবে? নবী (ছাঃ) বললেন, হ্যাঁ, যখন সে বীর্য দেখতে পাবে (বুখারী হা/১৩০; মিশকাত হা/৪৩৩)। এক্ষণে সেটা যদি চিকিৎসকের মতানুসারে কোন রোগের কারণে বের হয়, তাহ’লে ওযূ নষ্ট হবে, তবে গোসল ফরয হবে না। সেক্ষেত্রে অপবিত্র স্থান ধুয়ে ওযূ করে ছালাত আদায় করবে (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ১/১২৭; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১১/১৬৯)

 কবীরা ও ছগীরা গোনাহের মধ্যে পার্থক্য কি? কিছু কবীরা ও ছগীরা গোনাহের উদাহরণ জানতে চাই।


উত্তর : কবীরা গুনাহ হ’ল যে সকল গুনাহের ব্যাপারে অভিসম্পাত করা হয়েছে এবং পরকালীন শাস্তি কিংবা দুনিয়ায় হদ্দের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আর জেনে-শুনে বার বার ছগীরা গুনাহে লিপ্ত হ’লে তাও কবীরা গুনাহে পরিণত হয়। যেমন ওমর ও ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন,لاَ كَبِيْرَةَ مَعَ اسْتِغْفَارٍ وَلاَ صَغِيْرَةَ مِنْ إِصْرَارٍ، ‘ইস্তেগফার করলে কাবীরা গোনাহ থাকে না। আর বারবার করলে তা আর ছগীরা গোনাহ থাকে না’ (নববী, শরহ মুসলিম ২/৮৭)। কবীরা গোনাহ অর্থ মহাপাপ বা বড় পাপ। যার শীর্ষে রয়েছে- (১) আল্লাহর সাথে শিরক করা (২) এরপরে ঐসব গোনাহ, যার শাস্তি কুরআন ও সুন্নাহ দ্বারা নির্ধারিত। যেমন হত্যা, চুরি, ব্যভিচার, জুয়া, লটারী, মদ্যপান, মিথ্যা সাক্ষ্য দান ইত্যাদি (৩) যেসব পাপের জন্য আল্লাহ ও রাসূল (ছাঃ) অভিসম্পাত করেছেন। যেমন ঘুষ খাওয়া ও দেওয়া, হিল্লা বিয়ে করা ইত্যাদি (৪) ছগীরা গোনাহ বারবার করা। যেমন কথায় কথায় আল্লাহর নামে মিথ্যা কসম খাওয়া, দাড়ি মুন্ডন করা ইত্যাদি। কুরআন-সুন্নাহর দৃষ্টিতে কবীরা গোনাহের সংখ্যা ৭ থেকে ৭০০-এর কাছাকাছি। অনুতপ্ত হয়ে তওবা করা ব্যতীত যা মাফ হয় না। নিম্নে বিশেষ কয়েকটি কবীরা গোনাহ উল্লেখ করা হ’ল :

(১) শিরক করা (২) কবরে বা মাযারে সিজদা করা (৩) বিদ‘আত করা (৪) গণক ও জ্যোতিষীর কথা বিশ্বাস করা (৫) আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে যবেহ ও মানত করা (৬) পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া (৭) তাক্বদীরকে অবিশ্বাস করা (৮) অলসতাবশতঃ ছালাত ও যাকাত পরিত্যাগ করা (৯) অকারণে রামাযানে ছিয়াম পালন না করা (১০) সামর্থ্যবান ব্যক্তির হজ্জ না করা (১১) যুলুম করা (১২) হত্যা করা (১৩) আত্মহত্যা করা (১৪) চুরি করা (১৫) ডাকাতি করা (১৬) জাদু করা (১৭) ইয়াতীমের মাল আত্মসাৎ করা (১৮) প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়া (১৯) ওযনে কম দেওয়া (২০) হারাম খাওয়া (২১) খিয়ানত করা (২২) হালালা করা (২৩) বেপর্দা চলা (২৪) যেনা করা (২৫) যেনার অপবাদ দেয়া (২৬) সমকামিতা করা (২৭) স্ত্রীর পশ্চাতদেশে সঙ্গম করা (২৮) মাসিক অবস্থায় সহবাস করা (২৯) মহিলা পুরুষের বেশ ধারণ করা ও পুরুষ মহিলার বেশ ধারণ করা (৩০) পুরুষের রেশমী কাপড় ও স্বর্ণালংকার পরা (৩১) মদ্য পান করা (৩২) জুয়া খেলা (৩৩) সূদ গ্রহণ, প্রদান এবং তা লেখা ও তার জন্য সাক্ষী হওয়া (৩৪) ঘুষ গ্রহণ ও প্রদান করা (৩৫) মিথ্যা কথা বলা ও মিথ্যা কসম খাওয়া (৩৬) অঙ্গীকার ভঙ্গ করা (৩৭) অহংকার করা (৩৮) পুরুষের কাপড় পায়ের গিটের নিচে ঝুলিয়ে পরিধান করা (৩৯) আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা (৪০) যুদ্ধের ময়দান থেকে পলায়ন করা (৪১) রিয়া বা লোক দেখানো আমল করা (৪২) গীবত করা (৪৩) তোহমত বা অপবাদ দেওয়া (৪৪) অভিশাপ দেয়া (৪৫) দুনিয়ার উদ্দেশ্যে দ্বীন শিক্ষা করা (৪৬) দুনিয়ার লোভে দ্বীন বিক্রি করা (৪৭) বিপদাপদে বা কারো মৃত্যুতে মাথায় ও বুকে আঘাত করা ও চিৎকার করে কান্নাকাটি করা (৪৮) পেশাব থেকে পরিচ্ছন্ন না থাকা (ইমাম শামসুদ্দীন যাহাবী প্রণীত আল-কাবায়ের গ্রন্থ অবলম্বনে)

অন্যদিকে ছগীরা গুনাহ হ’ল- যে সকল গুনাহের ব্যাপারে অভিসম্পাত করা হয়নি এবং পরকালীন শাস্তি কিংবা দুনিয়ায় হদ্দের কথা উল্লেখ করা হয়নি। বরং সাধারণভাবে নিষেধ করা হয়েছে বা আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল অপসন্দ করেছেন। যেমন অন্যায়ভাবে রাগ করা, হিংসা করা, গালি দেওয়া, প্রতিবেশীকে কষ্ট দেওয়া, ক্বিবলামুখী হয়ে পেশাব-পায়খানা করা, গীবত শ্রবণ করা, মুসলিম ভাইয়ের সাথে কথা বলা বন্ধ করা, ঝগড়া করা, কারো প্রস্তাবের সময় বা ক্রয়ের সময় নিজের জন্য প্রস্তাব দেওয়া, বিনা কারণে কুকুর পোষা, মুছল্লীদের অপসন্দে ইমামতি করা, মসজিদে ক্রয়-বিক্রয় করা ইত্যাদি (নববী, শরহ মুসলিম ২/৮৫ ; ফাৎহুল বারী ১/১৮৪; আবু ফায়ছাল বাদরানী, আল ওয়ালা ওয়াল বারা ওয়াল আদাওয়া ফিল ইসলাম পৃ. ২৩)

 মাইয়েতের জন্য কতদিন পর্যন্ত জানাযার ছালাত আদায় করা যাবে?


উত্তর : কেউ মারা গেলে এবং তার জানাযায় অংশগ্রহণ করতে না পারলে তার কবরকে সামনে রেখে একাকী বা জামা‘আতের সাথে মাইয়েতের জন্য যে কোন দিন জানাযার ছালাত আদায় করা যাবে। রাসূল (ছাঃ) ও তাঁর ছাহাবীগণ একাধিক কবরের উপর জানাযার ছালাত আদায় করেছেন (বুখারী হা/১৩২১; নাসাঈ হা/২০২২; ইবনু হাযম, আল-মুহাল্লা

৩/৩৬৬)। এক্ষণে রাসূল (ছাঃ) ও তাঁর ছাহাবীগণ যে সকল কবরের উপর জানাযার ছালাত আদায় করেছেন সেগুলোর কোনটি ছিল একদিন পরে, কোনটি তিনদিন পরে আবার কোনটি সাত বছর পরে। এজন্য বিদ্বানগণ মতপার্থক্য করেছেন। বিশুদ্ধ কথা হ’ল, নিজের জীবদ্দশায় কোন ব্যক্তি মারা গেলে তার কবরের সামনে দাঁড়িয়ে যে কোন সময় জানাযা পড়া যেতে পারে (আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিইয়াহ ১৬/৩৪-৩৫; উছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ৫/৩৪৬)

 কাপড়ে বা দেহের কোন অংশে সাদা স্রাব লেগে গেলে তা সহ ছালাত আদায় করা যাবে কি?


উত্তর : অধিকাংশ বিদ্বানের মতে, সাদাস্রাব অপবিত্র নয়। তবে এটি বের হ’লে ওযূ নষ্ট হয়ে যাবে এবং ছালাতের জন্য পুনরায় ওযূ করতে হবে। আর মযীর মতই সাদাস্রাব কাপড়ে বা শরীরে লেগে থাকলে ধুয়ে নেওয়া আবশ্যক নয়। বরং সে পোষাক পরেই ছালাত আদায় করা যাবে (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২১/২২১; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১/২৮৪-৮৬)। অবশ্য ইবনু তায়মিয়া ও উছায়মীন বলেন, সাদাস্রাব বের হ’লে ওযূ নষ্ট হবে না। কারণ এর স্বপক্ষে কোন দলীল নেই (ইবনু হাযম, মুহাল্লা ১/২৩৬; ইবনু তায়মিয়াহ, আল-ইখতিয়ারাত পৃ. ২৭; উছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ১/৫০৩)। তবে জমহূর বিদ্বানের অভিমতই অগ্রাধিকারযোগ্য। কারণ পায়খানা বা পেশাবের রাস্তা দিয়ে কিছু বের হওয়া ওযূ ভঙ্গের কারণ।

রাফউল মালামঃ সম্মানিত ঈমামগণের সমালোচনার জবাব – শাইখুল ইসলাম আহমাদ ইবন তাইমিয়্যাহ



যেভাবে নামায পড়তেন রাসূলুল্লাহ সাঃ – অধ্যাপক নূরুল ইসলাম



 মুনাজাত ও নামায – ড. খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর




 

বিতর্কিত মুনাজাত ও একটি নামায – আব্দুল হামীদ আল মাদানী




বিতর্কিত জামাআতী মুনাজাত ও মাগরিবের পূর্বে নফল – আব্দুল্লাহ সালাফী




                                                                         

বিতর সালাত – আব্দুল হামীদ আল ফাইযী




                                                                       

ফজরের সালাত ও কিয়ামুল লাইলের জন্যে সহায়ক উপকরণ – ড. রুকাইয়্যাহ বিনতে মুহাম্মদ আল মাহারিব




                                                                      

পূর্ণাঙ্গ নামায ও যাকাতের বিধান – আমিনুল ইসলাম




                                                                    

নামাযের সময়সূচী – মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমীন




                                                                   

নামাযের শিক্ষা ও তাৎপর্য – অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আবদুল মজিদ




                                                                       

নামাযের মৌলিক শিক্ষা – খন্দকার আবুল খায়ের




                                                                       

নামাযের মাসায়েল – মুহাম্মদ ইকবাল কিলানী




                                                                      

নামাযের বিধান সূচী – মাওলানা মোঃ আবদুর রউফ




                                                                      

নামাযের ধন ভাণ্ডার – আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান আসসাদ






                                                                     

নামাযের দোআ ও যিকর – পশ্চিম দীরাহ ইসলামী দাওয়াহ সেন্টার





                                                                   

নামাযের গুরুত্ব – আব্দুল হামীদ আল মাদানী




                                                                  

নামাযের অন্তরালে – মুহাম্মদ শহীদুল মুলক




                                                                 

নামাযের ৫০০ মাসায়েল – মুহাম্মদ ইকবাল কিলানী




                                                                

নামাযে খুশু উন্নয়নের ৩৩ উপায় – মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ




                                                               

নামাযে কিভাবে মনোযোগী হবেন – মুহাম্মদ গোলাম মাওলা




                                                              

নামাযে আমরা কি পড়ি – নির্ভরযোগ্য আলীমগণের গ্রন্থ থেকে সংকলিত




                                                            

নামায রোযার হাকীকত – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী




                                                           

নামায বর্জনকারীর বিধান – মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল উসাইমীন




                                                          

নামায পড়ার পদ্ধতি – আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায




                                                         

নামায ত্যাগকারীর বিধান – মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমিন




                                                        

নামায জান্নাতের চাবি – মাসুদা সুলতানা রুমী




                                                       

নামায কায়েম কর – মোহাম্মদ মোশারফ হোসাইন




                                                      

নামায ও সমাজ – ডক্টর মুহাম্মদ মুশাররফ হুসাইন




                                                     

নামায ও পবিত্রতা সম্পর্কে কয়েকটি বিশেষ প্রবন্ধ – আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায 




                                                                    

নামাযের চিরস্থায়ী সময় সূচী – পশ্চিম বাংলা




                                                    

নামায আজ কেন ব্যর্থ হচ্ছে – প্রফেসর ডাঃ মোঃ মতিয়ার রহমান 




                                                   

নামায অমান্য ও অবহেলাকারীর দুনিয়া ও আখিরাতে ভয়াবহ শাস্তি – হাফেয মুহাম্মাদ 




                                                

ধারাবাহিক পূর্ণাঙ্গ নামায শিক্ষা – মাওলানা মোঃ ফযলুর রহমান আশরাফি




                                               

তাহাজ্জুদ নামাজ ও তারাবীহ নামাজ – মাওলানা মুহাম্মদ মূসা




Author Name

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.